‘উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যুক্ত হবে বাংলাদেশ’

0
388

স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বেরিয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যুক্ত হবে বাংলাদেশ। তবে সুশাসন ও টেকসই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ছাড়া এর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা কঠিন বলে মনে করেন সিপিডির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. রেহমান সোবহান। শনিবার রাজধানীতে আয়োজিত এক সংলাপে একথা বলেন তিনি। তবে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়া না গেলেও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে বিদেশি বিনিয়োগ বাড়বে বলছেন বিশ্লেষকরা।

স্বল্পোন্নত বা এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে যেতে জাতিসংঘের তিনটি শর্তই পূরণ করেছে বাংলাদেশ। এ মাসের মাঝামাঝিতে উন্নয়নশীল দেশে যাওয়ার যোগ্যতা অর্জনের ঘোষণা দেবে জাতিসংঘ। ২০২৪ সালে বাংলাদেশ এলডিসি থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে পৌঁছাবে। তবে স্বল্পোন্নত দেশের সব বাণিজ্যসুবিধা ২০২৭ সাল পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।

সিপিডি আয়োজিত সংলাপে বক্তারা বলেন, বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও সুশাসন নিশ্চিত করা এখন দেশের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
সিপিডির চেয়ারম্যান রেহমান সোবহান বলেন, “আমরা উন্নয়নশীল দেশে পদার্পন করতে যাচ্ছি। এর অন্যতম চ্যালেঞ্জ, সুশাসন ও টেকসই গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিশ্চিত করা। নারী-পুরুষের বৈষম্য কমাতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়ন করতে হবে”।

সাবেক অর্থ উপদেষ্টা এ বি মির্জ্জা আজিজুল ইসলাম বলেন, “দেশে বেসরকারি খাতের বিনিয়োগ এখন জিডিপির ২২ ভাগে আটকে আছে। এটা বাড়াতে হবে। এছাড়া উৎপাদনশীল খাতে অর্থায়ন নিশ্চিত করতে হবে”।

গবেষণায় উঠে আসে, এর আগে ৪টি দেশ এলডিসি থেকে উন্নয়নশীল হওয়ার পর তাদের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ও রেমিট্যান্স প্রবাহ কমলেও বিনিয়োগ বেড়েছে। এজন্য রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা প্রয়োজন বলে মনে করছে সিপিডি।

দেশের ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখতে অর্থপাচার রোধে সজাগ থাকার আহ্বান জানান বিশ্লেষকরা।