ঈদযাত্রায় যানজটে পড়ে মহাসড়কেই সন্তান প্রসব, নাম ‘স্মরণী’

0
533

গাড়িতে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে ধরে সড়কের পাশে রাখা হয়। এ সময় গাড়ির একজন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রী আফরোজা বেগম কন্যা শিশু জন্ম দেন।

সন্তান সম্ভবা স্ত্রীকে নিয়ে মঙ্গলবার সকালে গাজীপুর থেকে লোকাল একটি পরিবহনে গ্রামের বাড়ি কুড়িগ্রামে রওয়ানা দেন হাবিব হোসেন। দীর্ঘ যানজটে আটকে থাকা অবস্থায় ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর এলাকায় শুরু হয় তার স্ত্রীর প্রসব বেদনা। পরে সড়কেই তার স্ত্রী কন্যা সন্তান প্রসব করেন।

৪ জুন, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ওই সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে মা ও মেয়ে সুস্থ রয়েছেন। ঘটনার পরই ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের দুই নার্স সেতু এলাকায় এসে শিশু সন্তানসহ মাকে চিকিৎসা দেন। হাবিব মহাসড়কে জন্ম নেওয়া তার কন্যার নাম রেখেছেন ‘স্মরণী’।

জানা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার ৩নং ভোগদাঙ্গা ইউনিয়নের পোরার ভিটা গ্রামের ফারুক হোসেনের ছেলে হাবিব তার স্ত্রীকে নিয়ে গাজীপুরে থাকেন। তিনি গাজীপুর শহরে কখনও রিকশা, কখনও শ্রমিকের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। পরিবারের সঙ্গে ঈদ করতে স্ত্রীকে নিয়ে কুড়িগ্রামে রওনা দেন লোকাল একটি বাসে। মাঝে ঢাকা-বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের সেতুর গোলচত্বর এলাকায় স্ত্রীর প্রসব বেদনা শুরু হয়।

স্বামী হাবিব জানান, গাড়িতে প্রসব বেদনা শুরু হলে তাকে ধরে সড়কের পাশে রাখা হয়। এ সময় গাড়ির একজন ৯৯৯ নম্বরে ফোন করেন। পরে স্বাভাবিকভাবেই স্ত্রী আফরোজা বেগম কন্যা শিশু জন্ম দেন। এর পর ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে থেকে নার্সসহ একটি অ্যাম্বুলেন্স আসে। পরে নার্সরা স্ত্রীকে চিকিৎসা সেবা দেন। বর্তমানে মা ও মেয়ে দুইজনই সুস্থ রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সিনিয়র নার্স সাজেদা খাতুন সংবাদমাধ্যমকে জানান, ঘটনাস্থলে আসার আগেই সড়কের ওপরেই ওই নারীর সন্তান প্রসব হয়েছে। এরপর মা-মেয়েকে চেকআপসহ চিকিৎসাসেবা দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে মা ও শিশু সুস্থ রয়েছে।