আশাশুনির কুল্যা টু দরগাহপুর সড়কটি এখন মরণ ফাঁদ!

0
459

মইনুল ইসলাম :  আশাশুনি উপজেলার জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোর একটি হল কুল্যা টু দরগাহপুর (বাঁকা) সড়ক। সড়কটির বর্তমান অবস্থা খুবই নাজুক। কুল্যা থেকে দরগাহপুর পর্যন্ত সড়কটির কুল্যার মোড় সংলগ্ন এলাকায়, গুনাকরকাটি বাজার সংলগ্ন এলাকায়, বাহাদুরপুর এলাকাজুড়ে, কচুয়া ঋষিপাড়া এলাকায়, কাদাকাটি বাজার সংলগ্ন এলাকায়, হলদেপোতা থেকে শ্রীধরপুর মোড়ের কিছু অংশে এবং দরগাহপুর এলাকায় সড়কের বিভিন্ন অংশে পিচ পাথর উঠে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।

এর মধ্যে সবচেয়ে নাজুক অবস্থা কুল্যার মোড়, বাহাদুরপুর ও কাদাকাটি বাজার সংলগ্ন এলাকাটির। সেখানে প্রতিদিন ঘটছে ছোট বড় সড়ক দুর্ঘটনা। এ রাস্তা দিয়ে বাস, ট্রাক, মাইক্রো, মাহিন্দ্র, ইজিবাইক, মোটরসাইকেল, মোটরভ্যানসহ বিভিন্ন ধরণের যানবাহন চলাচল করে। এটি উপজেলার একটি ব্যস্ততম সড়ক। দীর্ঘদিন যাবত এ সড়কটির বাহাদুরপুর ও গুনাকরকাটি বাজার সংলগ্ন এলাকা এতটাই খারাপে পরিনত হয়েছে যে মানুষ এ পথ দিয়ে যেতে ভয় পায়। আশাশুনি উপজেলার কুল্যা, কাদাকাটি, দরগাহপুর, বড়দল, আনুলিয়া, খাজরা, প্রতাপনগর ইউনিয়নের মানুষের জেলা ও উপজেলা সদরের সাথে সড়ক পথে যোগাযোগের রাস্তা এটি।

এছাড়া খুলনার পাইকগাছা, কয়রা ও সাতক্ষীরার তালা উপজেলার মানুষও চলাচল করে এ সড়ক দিয়ে। এ রাস্তাটির সাথে এলাকার মানুষের জীবন জীবকা ও উন্নয়ন যেমন জড়িত, তেমনি দেশের উন্নয়ন অগ্রগতিও জড়িত। এসব ইউনিয়নের একটি বৃহৎ এলাকা জুড়ে রপ্তানিযোগ্য বাগদা, গলদা চিংড়ী সহ বিভিন্ন প্রজাতির সাদা মাছ (রুই, কাতলা, পারশে, ভেটকি ইত্যাদি উৎপাদিত হয়ে থাকে। প্রতিদিন কুল্যা-দরগাহপুর সড়ক দিয়ে পরিবহন যোগে উৎপাদিত এ মাছ ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা সহ দেশের বিভিন্ন বাজারে পরিবহন ও বিদেশে রপ্তানি হয়ে থাকে। এ রাস্তাটি ব্যবহার করে প্রতি বছর মোটা অংকের রাজস্ব আয় সহ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জিত হয়ে থাকে। এমতাবস্থায় সড়কটির পূর্ণাঙ্গ সংস্কার পূর্বক এলাকার মানুষের মাঝে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকার সচেতন মহল।