আ’লীগের দিবাস্বপ্ন কোনদিন পূরণ হবে না : মঞ্জু

0
334

প্রেস বিজ্ঞপ্তি:
বিএনপি’র কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ও মহানগর শাখার সভাপতি সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সরকারের সাজানো-পাতানো রাজনৈতিক হয়রানিমুলক মামলাটির রায়ও হাস্যকর। দেশবাসী প্রত্যাখান করেছে। সরকার ও বিচারককে একদিন জনগনের কাঠগড়ায় দাড়াতে হবে। জনগন তাদের ছাড়বে না। গত দু’বারের অবৈধ সরকারের প্রধান হিসেবে কত হাজার কোটি টাকা লুটপাট করেছেন, তারও একদিন বিচার হবে। তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশবাসী খুব ভাল করেই চেনে। কোন দুর্নীতিবাজ-লুটেরা অবৈধ সরকারের সাজানো-পাতানো মামলার রায়ে কলঙ্কের তকমা লাগিয়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দেশের জনগন থেকে দুরে সরিয়ে রাখা যাবে না। বলা হয়েছিল ৬৩২ পৃষ্ঠার রায় অথচ সোমবার ১১৬৮ পৃষ্ঠার রায়ের সত্যায়িত কপি দিয়েছে আদালত। এখানেই স্পষ্ট, এটা সরকারের নীল নকশার রায় ও ষড়যন্ত্র। বেগম খালেদা জিয়া থাকবেন কারাগারে বা কোর্টে, আর শেখ হাসিনা যাবেন ভোটে; আওয়ামী লীগের এমন দিবাস্বপ্ন বাংলাদেশের জনগন আর কোনদিন পূরণ হতে দেবে না।
মঙ্গলবার বেলা ১১টায় দলীয় কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠিত বিক্ষোভ সমাবেশে সভাপতির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বক্তৃতা করেন কেসিসি’র মেয়র মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক এমপি কাজী সেকেন্দার আলী ডালিম, সাবেক এমপি মুজিবর রহমান, মীর কায়সেদ আলী, শেখ মোশারফ হোসেন, মোল্লা আবুল কাশেম, আব্দুল জলিল খান কালাম, সিরাজুল ইসলাম মেঝো ভাই, সৈয়দা রেহেনা ঈসা, শেখ খায়রুজ্জামান খোকা, স ম আব্দুর রহমান, শেখ জাহিদুল ইসলাম, শাহ জালাল বাবলু, শেখ ইকবাল হোসেন, ফখরুল আলম। ২০ দলীয় জোট নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বিজেপি সভাপতি এ্যাড. লতিফুর রহমান লাবু, জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারী এ্যাড. লস্কর শাহ আলম, জেপি (জাফর) সভাপতি মোস্তফা কামাল, মুসলিম লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাড. আক্তার জাহান রুকু, বিজেপির সিরাজউদ্দিন সেন্টু, খেলাফত মজলিসের নগর সেক্রেটারী মাওলানা নাসির উদ্দিন ও পেশাজীবী নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ড্যাবের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক ডাঃ সেখ মোঃ আখতার উজ জামান।
বিএনপি নেতাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, সিরাজুল হক নান্নু, মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, মহিবুজ্জামান কচি, শফিকুল আলম তুহিন, শাহিনুল ইসলাম পাখী, শের আলম সান্টু, শেখ মোঃ গাউসুল আযম, আজিজুল হাসান দুলু, ইকবাল হোসেন খোকন, সাদিকুর রহমান সবুজ, গিয়াসউদ্দিন বনি, শেখ সাদী, মুর্শিদ কামাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, ইউসুফ হারুন মজনু, সাজ্জাদ আহসান পরাগ, সাজ্জাদ হোসেন তোতন, একরামুল কবীর মিল্টন, একরামুল হক হেলাল, হাসানুর রশিদ মিরাজ, আব্দুল আজিজ সুমন, শফিকুল ইসলাম হোসেন, কেএম হুমায়ুন কবীর, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, মাহবুব হাসান পিয়ারু, নাজমুল হুদা চৌধুরী সাগর, ইমাম হোসেন, সেখ কামরান হাসান, এসএম কামাল হোসেন, শরিফুল ইসলাম বাবু, হেলাল আহমেদ সুমন, নাজিরউদ্দিন আহমেদ নান্নু, জহর মীর, অধ্যাপক অহেদুজ্জামান, তরিকুল্লাহ খান, হাসান মেহেদী রিজভী, বদরুল আনাম, আবুল কালাম শিকদার, হাফিজুর রহমান মনি, আফসারউদ্দিন মাস্টার, শেখ ফারুক হোসেন, হাসানউল্লাহ বুলবুল, এইচএম এ সালেক, শেখ জামিরুল ইসলাম, কবির হোসেন, শেখ জামালউদ্দিন, এ্যাড. শেখ মোঃ আলী বাবু, মুজিবর রহমান ফয়েজ, মোঃ সাইফুল ইসলাম, আবু সাঈদ শেখ, হাবিব বিশ্বাস, মোঃ আশরাফ হোসেন, আবু সাঈদ হাওলাদার আব্বাস, গাউস হোসেন, শরীফুল আনাম, লিটন খান, মতলেবুর রহমান মিতুল, নাসির খান, মোল্লা ফরিদ আহমেদ, আব্দুল আলীম, মহিউদ্দিন টারজান, রবিউল ইসলাম রবি, মোস্তফা কামাল, বাচ্চু মীর, হেদায়েত হোসেন হেদু, কাজী নজরুল ইসলাম, আব্দুল জব্বার, মেজবাহউদ্দিন মিজু, জাহিদ কামাল টিটো, আফজাল হোসেন পিয়াস, অহিদুজ্জামান অহিদ, কাজী নেহিবুল হাসান নেহিম, জিএম রফিকুল হাসান, এইচএম আসলাম, আলমগীর হোসেন, তৌহিদুল ইসলাম খোকন, ইমতিয়াজ আলম বাবু, তরিকুল ইসলাম, আনসার আলী, আরমান হোসেন, কোহিনুর বেগম, আনজিরা বেগম, রোকেয়া ফারুক, আফরোজা, হাসনা হেনা, জাহিদুর রহমান রিপন, সাইমুন ইসলাম রাজ্জাক, মাওলানা আব্দুল গফফার, মোহাম্মদ আলী ও শেখ রিয়াজ শাহেদ প্রমুখ।##