আ’লীগের অভতপূর্ব উন্নয়নে বিএনপি ঈর্ষান্বিত হয়ে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে : খুলনা ১৪ দল

0
301

সংবাদ বিজ্ঞপ্তি:
১৪ দল নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশ ও জনগণের নিরাপত্তাসহ মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করাই ১৪ দলের মূল লক্ষ্য। এই লক্ষ্যকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ ও জাতির কল্যানে উন্নয়ন চালিয়ে যাচ্ছেন। আর এই অভ‚তপূর্ব উন্নয়নে বিএনপি ঈর্ষান্বিত হয়ে নানা ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, বিএনপি-জামায়াত ’৭১-এ যেমন পাকিস্তানীদের সহযোগিতা করে এদেশকে পাকিস্তানী রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিলো ; এখনও তারা বাংলাদেশকে পাকিস্তানের কলোনী বানিয়ে এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ক্ষুন্ন করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের এই ষড়যন্ত্রকে শক্তহাতে প্রতিহত করে বাংলাদেশকে উন্নত বিশ্বের পাশে দাড় করাতে হবে। নেতৃবৃন্দ আগামী ৩ মার্চের জনসভা সফল করতে ১৪ দলের নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহবান জানান।
সোমবার বিকাল সাড়ে ৪টায় আওয়ামী লীগ কার্যালয় চত্বরে মিছিল পূর্ব সমাবেশ ১৪ দলের নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আলহাজ্ব মিজানুর রহমান মিজান এমপি’র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি ও সাবেক সফল মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক এমপি। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশীদ, আওয়ামী লীগ জাতীয় কমিটির সদস্য এ্যাড. চিশতি সোহরাব হোসেন শিকদার। এসময়ে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, খুলনা জেলা ন্যাপের সভাপতি এ্যাড. ফজলুর রহমান, আওয়ামী লীগ নেতা কাজি আমিনুল হক, শেখ হায়দার আলী, এ এফ এম মাকসুদুর রহমান, কাজী এনায়েত হোসেন, বেগ লিয়াকত আলী, মল্লিক আবিদ হোসেন কবীর, শেখ সিদ্দিকুর রহমান, এ্যাড. রজব আলী সরদার, এমডিএ বাবুল রানা, নুর ইসলাম বন্দ, জাসদ কেন্দ্রিয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. খালিদ হোসেন, জেপি’র কেন্দ্রিয় নেতা শরীফ শফিকুল হামিদ চন্দন, কেন্দ্রিয় নেতা অধ্যক্ষ ডা. এম এন আলম সিদ্দিকী, ওর্য়াকার্স পার্টির দেলোয়ার উদ্দিন দিলু, মফিদুল ইসলাম, ফারুকুল ইসলাম, মোজাম্মেল হক, মনির হোসেন, জাসদের আরিফুজ্জামান মন্টু, আওয়ামী লীগ নেতাশেখ মো. ফারুক আহমেদ, আবুল কালাম আজাদ কামাল, কামরুজ্জামান জামাল, আকতারুজ্জামান বাবু, এ্যাড. আইয়ুব আলী শেখ, এ্যাড. নবকুমার চক্রবর্তী, শ্যামল সিংহ রায়, মকবুল হোসেন মন্টু, জামাল উদ্দিন বাচ্চু, এ্যাড. নিমাই চন্দ্র রায়, মো. মুন্সি মাহবুব আলম সোহাগ, এ্যাড. ফরিদ আহমেদ, শেখ ফজলুল হক, জেড এ মাহমুদ ডন, জোবায়ের আহমেদ খান জবা, ফেরদৌস আলম চান ফারাজী, এ্যাড. খন্দকার মজিবর রহমান, অধ্যা. আলমগীর কবীর, কাউন্সিলর আলী আকবর টিপু, অধ্যক্ষ শহিদুল হক মিন্টু, মো. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, কামরুল ইসলাম বাবলু, বিরেন্দ্র নাথ ঘোষ, হাফেজ মো. শামীম, এ্যাড. শাহ আলম, মফিদুল ইসলাম টুটুল, মো. শহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম আজাদ, শেখ মোশাররফ হোসেন, মো. শাহাজাদা, মোজাম্মেল হক হাওলাদার, এ্যাড. সাইফুল ইসলাম, শেখ সৈয়দ আলী, এ কে এম সানাউল্লাহ নান্নু, সিদ্দিকুর রহমান বুলু বিশ্বাস, শেখ আবিদ হোসেন, শহিদুল ইসলাম বন্দ, আলী আজগর মিন্টু, মাহবুবুল আলম বাবলু মোল্লা, শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন, তারিকুল আলম, অধ্যা. রুনু ইকবাল, এ্যাড. সুলতানা রহমান শিল্পী, শেখ ফারুক হাসান হিটলু, রনজিত কুমার ঘোষ, মনিরুজ্জামান সাগর, শফিকুর রহমান পলাশ, মোর্শেদ আহমেদ রিপন, মীর বরকত আলী, রেহানা আক্তার, সরদার জাকির হোসেন, জামিল খান, শেখ শাহাজালাল হোসেন সুজন, পারভেজ হাওলাদার, এস এম আসাদুজ্জামান রাসেল, ইমরান হোসেন ইমু, আজম খান, আল মামুন, রনবীর বাড়ৈ সজল, জব্বার আলী হীরা, এখতিয়ার মোল্লা, ঝলক বিশ্বাস, শেখন হোসেন শাওন, মাহমুদুর রহমান রাজেশ, আহনাফ অর্পন, জোয়েব সিদ্দিকী, জনি বাবু, রাশেদুল ইসলাম রাশেদ, নিশাত ফেরদৌস অনি, রূমন আহমেদ, মামুনুর রহমান মামুন, ইয়াসিন আরাফাত সহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশ শেষে এক বিশাল মিছিল নগরীর প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে দলীয় কার্যালয়ে এসে শেষ হয়।#