আবু নাসের হাসপাতালে কর্মচারীদের মধ্যে হাতাহাতি : রোগীদের ভোগান্তি

0
259

নিজস্ব প্রতিবেদক, খুলনাটাইমস:
খুলনার শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালে আউট সোর্সিং কর্মচারী ও স্থায়ী স্টাফের মধ্যে অপ্রীতিকর ঘটনায় প্রায় আড়াই ঘন্টা রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগ বন্ধ ছিল। যার কারণে দূর-দুরান্ত থেকে আসা রোগীরা এমআরআই, আল্ট্রাসনো করাতে এসে চরম বিপাকে পড়ে। সোমবার বেলা ১১টায় আউট সোর্সিং কর্মচারী আপেল মাহমুদ ও রেডিওলজি এন্ড ইমেজিং বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজি মোঃ আবু তাইফ পলাশের মধ্যে এ অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। এ সময় রেডিওলজি বিভাগের এম আর আই ও আল্ট্রাসনো করতে আসা অনেক রোগী ভোগান্তিতে পড়ে। রোগীরা অসহায়ের মতো প্রায় সোয়া দুই ঘন্টা উৎকন্ঠার মধ্যে হাসপাতালে অবস্থান  করেন।
সোমবার আউট সোর্সিং কর্মচারী আপেল মাহমুদ তার পরিচিত এক মহিলার এম আর আই রিপোর্ট আনতে গেলে আবু তাইফ পলাশ নামে ওই স্থায়ী স্টাফের মধ্যে এ অপ্রীতিকর ঘটনার সুত্রপাত ঘটে। প্রক্যশ্যে অশ্লীল ব্যবহার, হাতাহাতির মতো ঘটনায় সিরিয়ালে দাড়ানো রোগীরা হতভম্ব হয়ে যায়। এক পর্যায়ে এম আর আই ও আল্ট্রাসনো করা থেকে বিরত রাখেন মেডিক্যাল টেকনোলজি পলাশ।
আউট সোর্সিং কর্মচারী আপেল মাহমুদ জানান, গত দুই দিন আগে তার পরিচিত এক মহিলার এম আর আই রিপোর্ট আনতে যান। ভুল করে এম আর আই বিভাগ থেকে আরেক মহিলার রিপোর্ট দেয়া হয়েছিল তাকে। ভুল রির্পোট পরিবর্তন করে আনার জন্য সে ওই বিভাগে গেলে পলাশ তাকে বের করে দেন। এতে তিনি প্রতিবাদ করলে পলাশ রেডিওলজি বিভাগের সকল কাজ বন্ধ করে দেয় বলে সে অভিযোগ করে।
এদিকে আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে এম আর আই ও সিটি স্কিন, আল্ট্রাসনো বিভাগে গুরুত্বপুর্ন স্থানে প্রবেশ করে অনুমতি না নিয়ে রিপোর্ট নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ করেন পলাশ। তিনি তাকে নিষেধ করলে তার সাথে দুর্ব্যবহার করে আপেল মাহমুদ। প্রায় এ ধরনের ঘটনা ঘটায় আপেল মাহমুদ বলেও তিনি জানান। এ বিষয়ে তিনি আপেল মাহমুদের বিরুদ্ধে হাসপাতালের পরিচালক বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন
এ বিষয়ে হাসপাতালে পরিচালক প্রফেসর ডাঃ বিধান চন্দ্র গোস্বামী জানান, ঘটনার সময় তিনি এনজিওগ্রাম রুমে ছিলেন। সংবাদ পেয়ে তিনি ছুটে এসে রেডিওলজি বিভাগের বন্ধ থাকা সকল কর্মকান্ড চালু করা নির্দেশ দেন। রেডিওলজি বিভাগের মেডিক্যাল টেকনোলজি পালশের লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দুই পক্ষকে নিয়ে বসে সমাধান করার চেষ্টা করবেন বলে তিনি জানান।
#