আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা

0
1149

নিজস্ব প্রতিবেদক : খুলনা প্রেস ক্লাবে সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ২০১৮ আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আব্দুল খালেক এর নির্বাচনী ইশতেহার ঘোষণা করেন| বুধবার দুপুরে ৩১ দফার এই ইশতেহার পাঠ করেন তিনি।ইস্তেহারের উল্লেখযোগ্য দিক হলো–সিটি গভর্ণমেন্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ, পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন, কেসিসিকে দুর্নীতিমুক্তকরা, খালিশপুর ও রূপসা শিল্পাঞ্চলের উন্নয়ন, যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন, হোল্ডিং ট্যাস্ক না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি, মাদকমুক্ত নগর গড়ে তোলা, শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন, সিটি সেন্টার গড়ে তোলা, বিনামূল্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ সৃষ্টি, সুইমিং পুল স্থাপন, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের সহায়তা প্রদান, ৩টি নতুন থানা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা, আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ, খুলনা মহানগরীর সম্প্রসারণে উদ্যোগ গ্রহন।

১) সিটি গভর্ণমেন্ট ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ: খুলনা সিটি কর্পোরেশনকে স্বাধীন ও স্বায়ত্বশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলার জন্য ‘সিটি গভর্ণমেন্ট’ ব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্যোগ নেব। এর ফলে কেসিসিকে নিজের পায়ে দাড়িয়ে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধিসহ নগরীর প্রতিটি ক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ ও কর্তত্ব প্রতিষ্ঠ্ াকর্ াসম্ভব হবে।
২) পরিকল্পনা গ্রহণে ‘পরামর্শক কমিটি’ গঠন: নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী মেয়র প্রার্থীদের নিয়ে এবং বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম কমিটি, ব্যবসায়ী সংগঠন, খুলনা প্রেসক্লাব, আইনজীবী সমিতি, বিএমএ, শিক্ষক, ন্রাী, পাটকল শ্রমিক, বেসরক্রাী স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ বিভিন্ন শ্রেণী-পেশা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি ‘পরামর্শক কমিটি’ গঠন করবো। এই কমিটির পরামর্শ নিয়ে খুলনা মহানগরীর উন্নয়নে বিভিন্ন পরিকল্পন্ াগ্রহণ কর্ াহবে। যা কেসিসি’র সাধারণ সভায় অনুমোদন কের পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।
৩) পানি ও পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থার উন্নয়ন: ‘খুলনা ওয়াসা’র সাথে সমন্বয় করে সুপেয় পানি সংকট নিরসনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নগরীর জলাবদ্ধতা দূর করার পাশাপাশি পয়ঃনিষ্কাসন ব্যবস্থার আরও উন্নতি ঘটানো হবে। বৃষ্টির পানি দ্রæত নেমে যাওয়ার জন্য ড্রেন ও খালগুলো অবৈধ দখলমুক্ত করে প্রয়্জোনীয় সংস্কারের মাধ্যমে উপযোগী করে তোলা হবে।
৪) স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়ন: কেসিসি’র স্ব্স্থ্যাসেবায় অবকাঠামো ও প্রয়োজনীয় লোকবল বৃদ্ধি করে অভিজ্ঞ চিকিৎসক, বেসরকারী সংগঠন, নাগরিক ও বিত্তবান ব্যক্তিদের সাথে পরামর্শক্রমে খুলনা শিশু হাসপাতালের অভিজ্ঞতার আলোকে সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেব্রা মানোন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে। একবই সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে কমিউনিটি হাসপাতাল গড়ে তোলাও উদ্যোগ নেয়া হবে। নগরীতে প্রয়োজনীয় স্থান সমূহে আধুনিক পাবলিক টয়লেট ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার পাশাপাশি যাত্রী ছাউনিও নির্মাণ করা হবে।
৫) হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়িয়ে সেবার মান বৃদ্ধি: হোল্ডিং ট্যাক্স না বাড়িয়ে নাগরিক সেবার মান বৃদ্ধি করা হবে। এছাড়া বিদ্যমান হোল্ডিং ট্যাক্স এবং ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স ফি যুক্তিসঙ্গত ও সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে।
৬) কবরস্থান ও শ্মশান ঘাটের উন্নয়ন: খুলনা মহানগরীর কবরস্থান ও শ্মশান ঘাটগুলোর উন্নয়নের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। নিরালা, টুটপাড়া, বসুপাড়া ও গোয়ালখালি কবরস্থানের মতো অন্যগুলোও প্রয়োনীয় সংস্কার ও উন্নয়স করা হবে। এছাড়া নগরীর উপযুক্ত স্থানে খ্রীস্টান সম্প্রদায়ের জন্য একটি আলাদা কবরস্থান তৈরি করার উদ্যোগ নেয়া হবে। মসজিদ, মন্দির, গির্জা, কবরস্থান ও শ্মশান ঘাটের উন্নয়নে ধর্মীয় নেতাদের সহযোগিতা ও পরামর্শ নিয়ে ধর্মীয় শিক্ষার কার্যক্রম সম্প্রসারণ করা হবে।
৭) মাদকমুক্ত নগর গড়ে তোলা: খুলনাকে মাদকমুক্ত নগর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠন, যুব সংগঠন, ক্লাব ও প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় চিকিৎসার মাধ্যমে মাদকসেবীদের সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেব এবং মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলবো।
৮) নতুন আয়ের উৎস সৃষ্টি: নগরীতে আরও আধুনিক বিপনীকেন্দ্র ও মার্কেট তৈরি এবং এঅঞ্চলের যেসব মানুষ দেশের বাইরে আছেন- তাদের সাথে যোগাযোগ করে খুলনাতে বিনিয়োগে উৎসাহিত করাসহ নতুন আয়ের উৎস সৃষ্টিতে সচেষ্ট থাকবো।
৯) ‘সিটি সেন্টার’ গড়ে তোলা: নগরীর শিববাড়ির মোড়ে অবস্থিত পাবলিক হলের জায়গায় একটি অত্যাধুনিক বহুতল বিশিষ্ট সিটি সেন্টার গড়ে তোলা হবে। যার উদ্যোগে আমি আমার দায়িত্ব পালনকালে নিয়েছিলাম।
১০) বিনামূল্যে তথ্য-প্রযুক্তি ববহারের সুযোগ সৃষ্টি: নতুন প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের বিনামূল্যে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রেসহ বিভিন্ন স্থান ওয়াইফাই জোন ঘোষনা করে শিক্ষার্থীদের ইন্টারনেট সুবিধা দেয়া হবে। এছাড়া শিক্ষা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকেও এর আওতায় আনা হবে।
১১) গুরুত্ব বিবেচনা করে সড়ক উন্নয়ন: কোন বিশেষ বিবেচনায় নয়- গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে নগরীর সড়ক উন্নয়ন ও মেরামত করা হবে। খানজাহান আলী সেতুর সাথে নতুন সংযোগ সড়ক নিমার্ণে সহযোগিতা ও প্রয়োজনীয় নতুন রাস্তা নির্মাণে উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। উপযুক্ত আবহাওয়া বিবেচনা করে সড়ক নির্মাণ ও সংস্কার কাজে হাত দেয়া হবে। এসব ক্ষেত্রে নির্মাণ কাজের গুণগতমান অবশ্যই বজায় রাখা হবে। পাওয়ার হাউজ মোড় থেকে শেরে বাংলা রোডসহ জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত চার লেনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয়া হবে।
১২) পার্ক-উদ্যান নির্মাণ ও বনায়ন সৃষ্টি: বর্তমান নগরীতে বিদ্যমান পার্ক ও উদ্যানগুলোর প্রয়োজনীয় সংস্কার ও উন্নয়ন করা হবে। এছাড়া উন্মুক্ত সুবিধাজনক স্থানে একটি বড় পার্ক, লেডিস পার্ক ও ২টি শিশু পার্ক নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হবে। নদী সংলগ্ন স্থানে ভ্রমণের জন্য ওয়াকওয়ে নির্মাণ করা হবে। নগরীর দক্ষিণপ্রান্তেহ উপযুক্ত স্থানে বৃক্ষরোপনের মাধ্যমে বনায়ন সৃষ্টি করে পরিবেশের উন্নয়ন ঘটানো হবে। এছাড়া ময়ুর নদীসহ নগরীর ২২টি খাল খনন ও সংস্কার করে এর পাশে বনায়নের মাধ্যমে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টি করা হবে।
১৩) নগরীর সাংসস্কৃতিক কর্মকান্ন্ডের উন্নয়নের জন্য হল ও নাট্যমঞ্চ তৈরি করা হবে। পাশাপাশি নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠনগুলোর মধ্যে সমন্বয় ঘটানো এবং এর সাথে সংশ্লিষ্টদের উপযুক্ত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। প্রত্যেক ওয়ার্ডে বার্ষিক সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া উৎসব আয়োজনের জন্য বাজেটে অর্থ বরাদ্দ করা হবে। সকল ওয়ার্ডে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে দলমত নির্বিশেষে বিশিষ্টজনদের নিয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে উৎসবের আয়োজন করা হবে। ওয়ার্ড পর্যায়ে জাতীয় দিবসগুলো গুরুত্বের সাথে পালন করা হবে।
১৪) মুকিক্তযোদ্ধা ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের নামে রাস্তার নামকরণ: বিশিষ্ট ব্যক্তি, গগুনীজন ও মুক্তিযোদ্ধাদের নামে নগরীর বিভিন্ন রাস্তার নামকরণ করা হবে।
১৫) প্রতিটি ওয়ার্ডে ক্রীড়া উন্নয়নে উদ্যোগ গ্রহণ: নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ডের ক্রীড়া উন্নয়নে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়া হবে। ফুটবল ও কিকেট খেলার জন্য উপযুক্ত মাঠ তৈরি করা হবে। ্এছাড়া মেয়র গোল্ড কাপ ফুটবল ও ক্রিকেট প্রতিযোগিতা প্রবর্তন করা হবে।
১৬) সোলার পার্ক আধুনিকায়ন: নগরীর সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত সোলার পার্ককে আধুনিকায়ন করে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হবে।
১৭) বধ্যমূমিগুলোর স্মৃতি সংরক্ষণ: শিরোমণিসহ নগরীর চরেরহাট, গোয়ালখালী, ফরেস্ট ঘাটসহ বিভিন্ন বধ্যভূমির স্মৃতি সংরক্ষণে যথাযথ পদক্ষেপ নেয়া হবে।
১৮) কেসিসিকে দুর্নীতিমুক্ত করা: কেসিসিকে দুর্নীতিমুক্ত করার জন্য আমার উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে। যোগ্যতা ও মেধার ভিত্তিতে চাকরিতে নিয়োগ দেয়া হবে। কেসিসি’র স্বাস্থ্যসেবা খাত ও বিভিন্ন কাজের দরপত্র গ্রহণ ও কার্যাদেশ প্রদানের ক্ষেত্রে যথাযথ নিয়ম -প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে এবং ুসর্বক্ষেত্রে থাকবে স্বচ্ছতা ও জবারদিহিতা।
১৯) যাতায়াত ও ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নয়ন: নগর পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিধি বৃদ্ধি করা হবে যাতে স্বল্প আয়ের মানুষ চলাচলের ক্ষেত্রে সুবিধা ভোগ করতে পারে। ভৈরব ও রূপসা নদীতে চলাচলের জন্য ওয়াটার বাস চালু করার উদ্যোগ নেয়া হবে। পাশাপাশি নগরবাসীর নিরাপত্তার জন্য নগরীর গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে নগরীতে সড়ক বাতির উন্নয়নসহ আধুনিক ট্রাফিক ববস্থা গড়ে তোলা হবে। এছাড়া ইজিবাইক বা বাটারীচালিত রিক্সার লাইসেন্স প্রদান ও হকারদের পুনর্বাসন করা হবে।
২০) শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়ন: নগরীর শিক।ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে কেসিসি’র অধীনে আরও শিক।ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হবে। এছাড়া মসজিদভিত্তিক বিদ্যমান ধর্মীয় শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারণ করা হবে। অন্যাণ ধর্মীয় শিক।ষা প্রতিষ্ঠানেরও উন্নয়ন করা হবে।
২১) নারী উন্নয়ন ও অধিকার প্রতিষ্ঠায় সহযোগিতা প্রদান: মহানগরীর উন্নয়ন কর্মকান্ডে নারীদের সম্পৃক্ত করা ও তাদের অধিকার পতিষ্ঠায় কেসিসি’র পক্ষ থকে সবরকম পদক্ষেপ নেয়া ও সহযোগিতা করা হবে।
২২) সুইমিং পুল স্থাপন: শিক।সার্থী ও ছোট ছেলো-মেয়েদের জন কেসিসি’র উদ্যোগে নগরীর উপযুক্ত স্থানে একটি সুইমিং পুল তৈরি করা হবে- যাতে তারা সেখানে স্বাচ্ছন্দে সাঁতার শিখতে পারে।
২৩) বয়স্ক ও প্রতিবন্ধিদের সহায়তা প্রদান: বয়স্ক ও প্রতিবন্ধিদের সামাজিক সুযোগ-সুবিধা প্রদানের জন্য কেসিসি’র পক্ষ থেকে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে। হতদরিদ্র, ছিন্নমূল, ভবঘুরে ভিখারীদের পুনর্বাসনের জন্য বিশেষ প্রকল্প গ্রহণ করা হবে। যুবক ও যুব মহিলাদের আত্মকর্মসংস্থানের লক্ষে বিভিন্ন উদ্যোগ ও পদক্ষেপ নেয়া হবে। প্রবীন নাগরিকদের জন্য কেসিসি’র পক্ষ থেকে অবসর যাপনের বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
২৪) সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষায় কার্যকর ভ’মিকা গ্রহণ: নগরীতে বসবাসকারী বিভিন্ন সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পারিক সৌহার্দ্য, ভ্রাতৃত্ববোধ, সম্প্রীতি রক্ষা ও বিরাজমান সুসম্পর্ক বজায় রাখার জন্য কেসিসি কার্যকর ভ’মিকা গ্রহণ করবে।
২৫) নগরীর সৌন্দর্য বর্ধনে আরও উদ্যোগ গ্রহণ: খুলনা মহানগরীর সড়ক অবকাঠামো দৃষ্টিনন্দন করে তোলার জন্য আরও উদ্যোগ ও পরিকল্পনা নেয়া হবে। এই লক্ষে বিভিন্ন সড়ক দ্বীপ, রোড, ডিভাইডার ও গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পরিবেশবান্ধব সবুজ বেষ্টনী গড়ে তুলে নতুন করে সাজানো হবে।
২৬) ৩টি নতুন থানা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা: খুলনা মহানগরীর আইন শৃঙ্খলা রক্ষার্থে লবণচরা, হরিণটানা ও আড়ংঘাটা এলাকায় স্থাপিত ৩টি নতুন থানা পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলার জন্য খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশকে সবরকম সহযোগিাতা করা হবে।
২৭) আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ: নগরীর বিভিন্ন স্থানে যত্রতত্র পশু জবাই বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া হবে এবং পরিবেশবান্ধব আধুনিক কসাইখানা নির্মাণ করা হবে।
২৮) খালিশপুর ও রূপসা শিল্পাঞ্জলের উন্নয়ন: বন্ধ হওয়া কল-কারখানা চালু ও নতুন শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপনের পাশাপাশি খালিশপুর ও রূপসা শিল্পাঞ্চলকে কর্মচঞ্চল এলাকা হিসেবে গড়ে তুলতে কেসিসি সবরকম সহযোগিতা করবে।
২৯) ওয়াসা, কেডিএ, রেলওয়ে, টেলি কমিউনিকেশন ও বিদ্যুৎ পরিসেবা উন্নয়ন: ওয়াসা, কেডিএ, রেলওয়ে, টেলি কমিউনিকেশন ও বিদ্যুৎ পরিসেবা প্রদানকারী সংস্থাসমূহে সিটি কর্পোরেশনের নেতৃত্বে সমন্বিতভাবে কাজ করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে রেগুলেটরি বোর্ড গঠনের উদ্যোগ নেয়া হবে।
৩০) কেসিসিতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা: সিটিজেন চার্টার বা নাগরিক সনদ ব্যবস্থা জোরদার করে কেসিসি’র সার্বিক কার্যক্রমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও নিশ্চিত করা হবে। একই সাথে কেসিসিকে সত্যিকারভাবে জনগণের সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলা হবে।
৩১) খুলনা মহানগরীর সম্প্রসারণ: সিটি কর্পোরেশনের এলাকা সম্প্রসারণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করে খুলনা মহানগরীকে আধুনিক ও পরিকল্পিত ‘তিলোত্তমা নগরী’ হিসেবে গড়ে তুলতে সবরকম উদ্যোগ নেয়া হবে।