অবশেষে শুরু হলো ডুমুরিয়ার দক্ষিনাঞ্চলের অতি গুরুত্বপূর্ণ সেতু নির্মান কাজ

0
534

ডুমুরিয়া (খুলনা) প্রতিনিধি :
বিভিন্ন জটিলতা আর দীর্ঘ কালক্ষেপনের অবসান ঘটিয়ে অবশেষে চরচরিয়া-শিবনগর সড়কে ভদ্রা নদীর উপর স্বপ্নের সেতু নির্মানের কাজ শুরু হয়েছে। তাই এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবী পূরণসহ দু’পারের মানুষের মধ্যে নতুন করে সেতুবন্ধন সৃষ্টি হতে যাচ্ছে। এ সেতু নির্মান হলে ডুমুরিয়া উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল মাগুরখালী ইউনিয়নসহ পাইকগাছা ও কপিলমুনি এলাকার বৃহত জনগোষ্ঠির ডুমুরিয়া বাজার হয়ে খুলনা শহরে আশা যাওয়ায় খুবই সহজ হবে। খুলনা থেকে পাইকগাছা যাতায়াতে অন্ততপক্ষে ২০ কিলোমিটার পথ কম হবে। গত শনিবার থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে এমএমবি-আইটি(জেভি) নামের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানটি। সংশ্লিষ্ট দপ্তর সুত্রে জানা যায়, “উপজেলা ও ইউনিয়ন সড়কে দীর্ঘ সেতু নির্মাণ” প্রকল্পের আওতায় ডুমুরিয়া উপজেলাধীন বসুন্দিয়াডাঙ্গা বাজার টু মাগুরখালী ইউপি অফিস (চরচরিয়া-শিবনগর সড়ক) সড়কে ২৪৯০ মিঃ চেইনেজে ভদ্রা নদীর উপর ৩১৫.৩০ মিঃ লম্বা পিসি গার্ডার ব্রীজ নির্মাণ কাজটি হাইকোর্টে মামলা থাকার কারণে ঝুলে ছিলো। যার চুক্তিমুল্য ২৭ কোটি ৯৭ লক্ষ ৪৪ হাজার ৩শত ২৪ টাকা ১২ পয়সা। যশোর ঘোপ সেন্ট্রাল রোড এলাকার এমএমবি-আইটি(জেভি) নামের একটি ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্কীমটি স্থানীয় সরকার প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি) বাস্তবায়ন করছে। গেল বছর ১২ নভেম্বর তারিখে নতুন করে লে-আউট পাশ হয়। যা ২০১৯ সালের নভেম্বর মাসে শেষ হওয়ার কথা রয়েছে। চলতি বছরের ১৮ মার্চ তারিখে ব্রীজটি নির্মান শেষ করার কথা থাকলেও অন্য ঠিকাদার কর্তৃক মামলার কারণে দেখতে দেখতে ইতিমধ্যে ১টি বছর পার হয়ে যায়। কাজের ঠিকাদার তৌফিকুল ইসলাম জানান, ‘আগামী জুনের আগেই মুল নদীতে পিলার স্থাপন করা হবে।’ কাজের বিলম্বের বিষয় উপজেলা প্রকৌশলী বিদ্যুৎ কুমার দাস জানান, ‘হাই কোর্টের মামলা নিষ্পত্তি না হওয়ার কারণে সাইড হ্যান্ডওভার করতে বিলম্ব হয়। শনিবার থেকে পাইলিংকের কাজ শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, যদিও কাজটি অনানুষ্ঠানিক ভাবে শুরু হয়েছে। তবে খুব শিঘ্রই মাননীয় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বাবু নারায়ন চন্দ্র চন্দ এমপিকে দিয়ে আনুষ্ঠানিকতার মধ্যদিয়ে ব্রীজটির ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হবে।’ প্রকল্প পরিচালক আঃ সালাম মন্ডল জানান, ‘সব বাঁধা কেটে গেছে, এখন সেতু নির্মানে আর কোন বাঁধা নেই। জায়গাটি পরিদর্শন করেছি। কাজ চলবে দ্রæত গতিতে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আশাকরি কাজ শেষ হবে। প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করতে তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।’