৩৫ হজ্জ যাত্রীর টাকা আত্মসাতের অভিযোগে আকবর হজ্জ গ্রুপের বিরুদ্ধে মামলা

0
400

নিজস্ব প্রতিবেদক:
৩৫ হজ্জ যাত্রীর প্রাক নিবন্ধন সম্পন্ন ও তাদের মক্কায় বাড়ি ভাড়া বাবদ ৪৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ‘আকবর হজ্জ গ্রুপ’ এর চেয়ারম্যান মুফতী লুৎফর রহমান ফারুকীসহ ১৪ জনের নামে বিজ্ঞ মুখ্য মহানগর হাকিম এর আমলী আদালত ‘ক’ অঞ্চলে মামলা হয়েছে। সোমবার এই মামলায় ১০ আসামির মধ্যে ৩ জনের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। তারা হচ্ছেন আকবর হজ্ব সত্বধিকারী জাহাঙ্গীর আলম, সিরাজুন মুনিরা এয়ার ট্রাভেলস এর সত্বাধিকারী হারুন অর রশিদ  ও আকবর হজ্ব গ্রুপ বাংলাদেশ এর পিএস চেয়ারম্যান মামুনুর রশিদ (মামুন)। খুলনার অতিরিক্ত মহানগর মুখ্য হাকিম সুমি আহম্মেদ তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেন।
২০১৮ সালের ২৪ মে উক্ত আদালতে এস এম আব্দুল আজিজ বাদী হয়ে ১৪ জনের নাম উল্লেখ করে মামলাটি দায়ের করেন। যার নং সি, আর ৬৩২/১৮। মামলার অন্যান্য আসামিরা হচ্ছেন মিসেস তামান্না রহমান, সুমাইয়া রহমান, জাহাঙ্গীর আলম, মোকাররম কবির,  মোশারফ হোসেন,  হারুন অর রশিদ. মোঃ সাইদুর রহমান, মাকসুদুর রহমান ও ইলিয়াস হোসেন, মামুনুর রশিদ (মামুন), আব্দুল হান্নান, মোঃ আব্দুল বাকী, তানভীর আহম্মেদ সুহাইল ও হফেজ মোঃ নুরুল আমিন।
বাদীর আইনজীবি অ্যাড. আজহার উদ্দিন বলেন মামলায়, তার মক্কেল এস এম আব্দুল আজিজের কাছ থেকে ২০১৮ সালের হজ্জ পালনের জন্য ৩৫ জন হজ্জ পালনের জন্য আকবর হজ্জ গ্রুপ বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুফতি লুৎফর রহমান ফারুকীর কাছে ইসলামী ব্যাংক খুলনা শাখা থেকে এই ব্যাংকের পল্টন শাখা যার হিসাব নং ২৮৮৫ ও সানরাইজ এয়ার ইন্টারন্যাশনাল হিসাব নং ০১০০১২১৩১০৮৪২ জনতা ব্যাংক ফকিরাপুল শাখায় মোট ৪৬ লাখ ৮১ হাজার টাকা পাঠান।  কিন্তু ২০১৮ সালের ৯ এপ্রিলের মধ্যে উল্লিখিত হজ্জ যাত্রীদের চুড়ান্ত নিবন্ধন না হওয়ায় এবং তাদের মোবাইল ফোনে নিবন্ধন হইছে এমন কোন ম্যাসেজ আসেনি। এমন অবস্থায় বাদী এস এম আব্দুর আজিজ ও এক নম্বর স্বাক্ষীর তাদের আত্মীয় স্বজনদের নামে হজ্জের নিবন্ধন না হওয়ার কারণে তাদের উল্লিখিত টাকা ফেরত চাইলে অস্বীকার করায় তাদের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন।
এক নম্বর স্বাক্ষী  জি এম আমিরুল ইসলাম বাবু জানান, আকবর হজ্জ গ্রুপের চেয়ারম্যান মুফতী লুৎফর রহমান ফারুকী তার  স্ত্রী ও মেয়েসহ আত্মীয় স্বজনের নামে লাইসেন্স রয়েছে। যাদেরকে আসামি করা হয়েছে তারা আকবর হজ্জ গ্রুপের চেয়ারম্যানে আত্মীয়-স্বজন। বর্তমানে ওই চেয়ারম্যান ও তার মেয়ে সুমাইয়া রহমান সৌদীতে আত্মগোপনে আছেন।