২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হবে:সিটি মেয়র

0
63
????????????????????????????????????

তথ্য বিবরণী:
খুলনা সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে মহানগরীতে জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহ (০১-০৭ অক্টোবর) ২০১৯ পালিত হচ্ছে। সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক মঙ্গলবার সকালে নগরীর খালিশপুরস্থ নয়াবাটী হাজী শরিয়ত উল্লাহ বিদ্যাপীঠে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে একটি শিশুকে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানোর মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহের উদ্বোধন করেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ফাইলেরিয়াসিস নির্মূল ও কৃমি নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রমের আওতায় কেসিসি’র স্বাস্থ্য বিভাগ এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সিটি মেয়র বলেন, লেখাপড়ার পাশাপাশি শিশুদের শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে হবে। তারা সুস্থভাবে বেড়ে উঠলে ভবিষ্যত জাতি আরো সুপ্রতিষ্ঠিত ও সুসংগঠিত হবে। এ বিষয়ে পিতা-মাতাকে আরো দায়ীত্বশীল হওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি বলেন, আজকের শিশু আগামী দিনে জাতির কর্ণধার। সে দিকে লক্ষ্য রেখে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অগ্রগতিসহ সামগ্রিক বিষয়ে দেশের অগ্রযাত্রা অব্যাহত আছে। এই ধারা বজায় রেখে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি অর্জন করতে হবে বলে সিটি মেয়র উল্লেখ করেন।
কেসিসি’র কাউন্সিলর কাজী তালাত হোসেন কাউট-এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খুলনার সিভিল সার্জন ডা. এস এম আব্দুর রাজ্জাক, কেসিসি’র প্যানেল মেয়র মো: আমিনুল ইসলাম মুন্না, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা খন্দকার রুহুল আমিন, স্বাস্থ্য বিভাগ-খুলনার উপপরিচালক ডা. জাহাঙ্গীর হোসেন, কেসিসি’র কাউন্সিলর মো: মনিরুজ্জামান, শেখ মোহাম্মদ আলী, মো: সুলতান মাহমুদ পিন্টু, মুন্সী আব্দুল ওয়াদুদ, মো: ডালিম হাওলাদার, এমডি মাহফুজুর রহমান লিটন, সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর রহিমা আক্তার হেনা, মনিরা আক্তার, সাহিদা বেগম ও মাজেদা খাতুন। স্বাগত বক্তৃতা করেন কেসিসি’র প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. একেএম আব্দুল্লাহ। অন্যান্যের মধ্যে কেসিসি’র স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. স্বপন কুমার হালদার, সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলাম, নয়াবাটী হাজী শরিয়ত উল্লাহ বিদ্যাপীঠের প্রধান শিক্ষক শেখ জাহিদুজ্জামান সহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও শিক্ষার্থীগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, জাতীয় কৃমি নিয়ন্ত্রণ সপ্তাহে নগরীর ৪৯৮টি প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৫ থেকে ১২ বছর বয়সী ৯৩ হাজার ৮’শ ৭২ জন এবং ৯৩ টি মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ১২ থেকে ১৬ বছর বয়সী ৫৫ হাজার ৮’শ ৯৮জন শিক্ষার্থীকে ১টি করে কৃমিনাশক ট্যাবলেট খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।