রূপসায় আ’লীগ নেতা মিজানের বিরুদ্ধে ওএমএস’র চাল আত্মসাৎ করার অভিযোগ, ডিলার পলাতক

0
130

রূপসা প্রতিনিধি:
সরকারের খাদ্যবান্ধব র্কমসূচির (ওএমএস) তালিকায় নাম থাকা অনেকের ভাগ্যে জুটছে না ১০ টাকা কেজির চাল। রূপসায় ৪ বছর ধরে ১৪টি পরিবাররে চাল আত্মসাৎ করেছেন খাদ্যবান্ধব র্কমসূচির ডিলার সরদার মিজানুর রহমান (৪৫)। সে শ্রীফলতলা ইউনিয়নের নন্দনপুর এলাকার আ. সাত্তার সরদারের ছেলে।
ডিলার সরদার মিজানুর রহমান এলাকার একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি এবং শ্রীফলতলা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব রয়েছেন। রূপসা উপজলো প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, সরদার মিজানুর রহমান রূপসা উপজলোর শ্রীফলতলা ইউনিয়নরে প্রধানমন্ত্রী র্কতৃক ১০ টাকা মূল্যে বিতরণ করা খাদ্যবান্ধব র্কমসূচির ডিলার। ২০১৬ সাল থেকে তিনি ১৪টি পরিবারের চাল নিয়মিত আত্মসাৎ করে আসছেন। নাম থাকা সত্ত্বেও চাল না পাওয়া ১৪ ব্যক্তিরা হলেন-উপজেলার নন্দনপুর গ্রামের শাহিদ শেখ, সেলিম শেখ, আনিচুর রহমান, সাইদুর রহমান, খালেদা বেগম, জাহিদ মুন্সি, মুকুল শেখ, কামাল শেখ, রফিকুল শেখ, মমতাজ, নাসিম হাওলাদার, ওলিয়ার হাসান, আসলাম খাঁ ও ফারুক হাওলাদার। তারা জানান, তাদরে নাম, ছবি ও ন্যাশনাল আইডির্কাড নেওয়া হয়েছিল ২০১৬ সালে। তবে তাদের নামে কার্ড হয়েছে কিনা তা জানেন না। তারা কখনো ১০ টাকা মূল্যের এই চাল উত্তোলন করেনি। উপজেলা নির্বাহী র্কমর্কতা (ইউএনও) নাসরিন আক্তার বলেন, এ বিষয়ে অভিযোগ পাওয়ার পর সরেজমিন তদন্ত করতে যায়। এ সময় আমার সঙ্গে রূপসা থানার ভারপ্রাপ্ত র্কমর্কতা (ওসি) ছিলেন। ভুক্তভোগীদের বক্তব্য নেওয়া হয়েছে। তারা জানিয়েছেন, ২০১৬ সাল থেকে তাদের এ চাল দেওয়া হচ্ছে না, এমনকি তারা জানেও না যে তাদের নামে র্কাড আছে। ডিলার সরদার মিজানুর রহমান যে তাদের চাল আত্মসাৎ করেছেন তাতে কোনো সন্দেহ নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তদন্ত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। ১৪ ব্যক্তির এ যাবৎকালের ক্ষতিপূরণ আদায়সহ তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তার ডিলারশিপ বাতিল করা হবে বলেও জানান ইউএনও নাসরনি আক্তার।
প্রভাবশালী আওয়ামীলীগ নেতার ভয়ে এলাকায় মুখ খুলতে পারেনা এলাকাবাসি। কারণ মিজানের ভাই রূপসা থানা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক সরদার আবুল কাসেম ডাবলু।