ভিন্ন রকম ডায়েট

0
37

খুলনাটাইমস লাইফস্টাইল ডেস্ক: সচরাচর ডায়েটের ফলে অনেক সময় বুকে জ্বালাপোড়ার সৃষ্টি হয়। ডায়েট মানে কিন্তু অল্প পরিমাণে খাওয়া নয়, ডায়েট হলো খাদ্যতালিকায় পুষ্টিকর উপাদানের সমাবেশ। তবে এর কারণে এসিডিটির হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য আপনি অনুসরণ করতে পারেন ‘অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ডায়েট’। ভিন্ন রকমের এ ডায়েটের তত্ত্ব বের করেছেন দ্য জোন ডায়েট ফেমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বেরি সিয়ার্স ও হার্ভার্ডে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ওষুধ বিশেষজ্ঞ এন্ড্রু উইল। এ ডায়েটের ফলে বুকের জ্বালাপোড়ার হাত থেকে রক্ষার পাশাপাশি উচ্চরক্তচাপ ও বাতের ব্যথার হাত থেকে পরিত্রাণ পাওয়া যাবে

গোটা শস্য
লাল চাল, ওটস এবং গমের আটাজাতীয় গোটা শস্য স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী খাদ্য। বিশেষ করে গমের আটায় রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। এ ধরনের খাবার রক্তে শকর্রার পরিমাণ কমাতে সাহায্য করে। ইচ্ছা করলে আপনি বাসমতি চালও খেতে পারেন। দিনে তিন থেকে পাঁচবার গোটা শস্যজাতীয় খাবার খেতে পারেন।

সামুদ্রিক মাছ
সামুদ্রিক মাছ, অলিভ অয়েল ও তেলযুক্ত মাছে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি এসিড। এ ধরনের খাবার বুকের প্রদাহ রোধে সহায়ক। সপ্তাহে চার আউন্স করে দুই থেকে চারদিন খেতে পারেন সামুদ্রিক মাছ।

রঙিন ফল ও শাকসবজি
বেগুনি রঙের বাঁধাকপি, ফুলকপি, লাউজাতীয় সবজি ও পালংশাক ইত্যাদি রঙিন ফলমূল ও শাকসবজিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, যা ক্যান্সারের বিস্তার রোধের জন্য প্রয়োজন। বিশেষ করে ফুলকপির স্যুপ শরীরের জন্য বেশি উপকারী। আর এ ধরনের সবজি হাতের কাছে বাজারেই পাবেন। দিনে চার থেকে পাঁচবার এ ধরনের খাবার খাওয়া উচিত।

পলিফেলন সমৃদ্ধ তেল
শরীরের অক্সিডেশন বাড়াতে সাহায্য করে পলিফেলন। এতে পাওয়া যাবে এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল, যাতে রয়েছে বুকের প্রদাহ দূর করার জন্য শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী এ ধরনের তেল দিনে পাঁচ থেকে সাত চামচ খাওয়া ভালো।

মসলা
গোলমরিচ, পুদিনা, দারচিনি, হলুদ ইত্যাদি আপনার বুকের জ্বালাপোড়া দূর করতে সাহায্য করবে। অন্যান্য উপাদানের চেয়ে এক্ষেত্রে হলুদ সবচেয়ে বেশি কার্যকরী। খাবারে বেশি করে এ ধরনের মসলা ব্যবহার করা উচিত।


একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here