ফাইনালে দলে ফেরানো হলো ইমরুলকে

0
133

ক্রীড়া প্রতিবেদক : ইমরুল কায়েস মুঠোফোনে খবরটা শুনেই চমকে উঠলেন—‘কী বলেন, ফাইনালের দলে আছি!’ ত্রিদেশীয় সিরিজের শুরু থেকেই তাঁর দলে থাকার কথা ছিল। কিন্তু বুড়ো আঙুলের চোটে পড়ে ছিটকে পড়লেন স্কোয়াড থেকেই। ইমরুলকে আবারও ফেরানো হয়েছে দলে।
৫ জানুয়ারি অনুশীলনে বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলে চোট পেয়েছিলেন ইমরুল। তাঁকে নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকায় ১৯ জানুয়ারি ত্রিদেশীয় সিরিজে নিজেদের তৃতীয় ও চতুর্থ ম্যাচের দল থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল বাঁহাতি ওপেনারকে। টেস্টের জন্য প্রস্তুত হতে ইমরুলকে বিসিএলের ম্যাচ খেলতে বলেছিলেন নির্বাচকেরা। রাজশাহীতে প্রাইম ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলের হয়ে বিসিবি উত্তরাঞ্চলের বিপক্ষে ১১৮ রানের ঝকমকে এক ইনিংস খেলে নিজের প্রস্তুতির কথা ভালোভাবেই জানিয়েছিলেন ইমরুল।

তবে টেস্ট নয়, ইমরুল ডাক পেয়ে গেলেন আরও আগে। আজ ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালের জন্য ১৬ সদস্যের যে দল ঘোষণা করেছে বিসিবি, বাঁহাতি ওপেনার আছেন সেখানে। ইমরুলের কেন হঠাৎ ডাক পড়ল, নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন। প্রায় তিন বছর পর ওয়ানডেতে সুযোগ পাওয়া ওপেনার এনামুল হক ব্যর্থ হচ্ছেন ধারাবাহিকভাবে। ৪ ম্যাচে ১৩.৭৫ গড়ে তাঁর রান ৫৫, সর্বোচ্চ ৩৫। ব্যর্থ তো হচ্ছেনই, এনামুলের আউটের ধরনও বেশ দৃষ্টিকটু।
এনামুলের ফর্ম নিয়ে আজ প্রশ্নও উঠেছে অধিনায়কের সংবাদ সম্মেলনে। ফাইনালে তাঁকে সুযোগ দেওয়া নিয়ে মাশরাফি বিন মুর্তজা বলেছেন, ‘নিশ্চিত নয়। তবে এটা ভাবার ব্যাপার। সে ঘরোয়া ক্রিকেটে রান করেছে। আপনারাই (সংবাদমাধ্যম) তাকে বেশি তুলে ধরেছেন। ওর ওপর পূর্ণ আস্থা ছিল। তাকে নিয়মিত খেলিয়ে যাচ্ছি। সে যতক্ষণ আছে অবশ্যই আমরা তাকে সমর্থন করছি। কঠিন সময় যেতে পারে। এমন নয় যে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রান করে এসেই আপনি আন্তর্জাতিক ম্যাচে রান করতে পারবেন। আমাদের প্রথম শ্রেণির সঙ্গে আন্তর্জাতিক ম্যাচের পার্থক্য আছে।’

প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলা আসা ইমরুলকে দলে ফেরানো মানেই যে তিনি একাদশে সুযোগ পাবেন কি না, সেটার নিশ্চয়তা নেই। তবে বাংলাদেশের তৃতীয় ওপেনার না থাকায় গত চার ম্যাচে যত সহজে প্রতিপক্ষ ছক কষতে পারছিল, ফাইনালে অন্তত সেটি হচ্ছে না!

বাংলাদেশ দল :
মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), সাকিব আল হাসান (সহ–অধিনায়ক), তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, এনামুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, নাসির হোসেন, সাব্বির রহমান, মোহাম্মদ মিঠুন, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন, আবুল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, সাইফউদ্দিন ও সানজামুল ইসলাম।