জীবনে পরিবর্তন আনে সহিষ্ণুতা

0
184

খুলনাটাইমস ধর্মপাতা: সৌহার্দ্যপূর্ণ আচরণ ও পারস্পরিক সহনশীলতা মানবজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। অন্যের মতামত ও আচার-আচরণ সহজভাবে কীভাবে গ্রহণ বা সহ্য করতে হয়, তা শেখায় সহনশীলতার অনুশীলন। ভিন্নধর্মাবলম্বীর সঙ্গে কীভাবে আচরণ করতে হয় এবং সম্প্রীতিপূর্ণ ও সহানুভূতিশীল সম্পর্ক গড়ে তুলতে হয়, তাও শেখায় সহিষ্ণুতার চর্চা।
যারা সহনশীলতা কিংবা সহানুভূতিশীল আচরণে অভ্যস্ত, অন্যরা তাদের সহজে গ্রহণ করে নেয়। তাদের মাধ্যমে সামাজিকভাবে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি হয়। বিভিন্ন কারণে-অকারণে মনের বিপরিত আচরণ ও উচ্চারণের সম্মুখিন হওয়া স্বাভাবিক। যারা এমন পরিস্থিতিতে নিজেকে মানিয়ে নিতে পারেন, তারা অন্যের কাছে গ্রহণযোগ্য ও প্রশংসিত হন। না হয়, বাহ্যত না হলেও পরোক্ষভাবে ঘৃণা ও অপছন্দের শিকার হতে হয়। তাই জীবনের প্রতিটি অঙ্গনে সহনশীলতা ও সহিষ্ণুতার গুরুত্ব অপরিসীম।
পারস্পরিক সহানুভূতি ও সহনশীলতার অত্যধিক গুরুত্ব দিয়েছে ইসলাম। রাসুল (সা.) বলেন, ‘যে ব্যক্তি সহনশীল হওয়ার চেষ্টা করবে, আল্লাহ তাআলা তাকে সহনশীলতার শক্তি দান করবেন, আর সহনশীলতা থেকে অধিক উত্তম ও ব্যাপক কল্যাণকর আর কিছুই কাউকে দান করা হয়নি।’ (বোখারি ও মুসলিম)
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘হে মুমিনগণ! তোমরা ধৈর্য-সহনশীলতা ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে রয়েছেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত নং : ১৫৩)
আল্লাহ তাআলা আরো বলেন, ‘ভাল ও মন্দ সমান নয়। উত্তরে তাই বলুন, যা উৎকৃষ্ট। তখন দেখবেন আপনার সাথে যে ব্যক্তির শত্রুতা রয়েছে, সে যেন অন্তরঙ্গ বন্ধু। এ চরিত্র তারাই লাভ করে, যারা ধৈর্য ধারণ করে এবং এ চরিত্রের অধিকারী তারাই হয়, যারা অত্যন্ত ভাগ্যবান।’ (সুরা ফুসসিলাত, আয়াত নং : ৩৪-৩৫)