কয়রায় করোনা বিপর্যয়ে অসহায় আত্মসমর্পণকৃত দস্যুর পাশে  (র‌্যাব ৮)

0
439

ওবায়দুল কবির(সম্রাট):কয়রা(খুলনা)প্রতিনিধি:
করোনা ভাইরাস (কোভিট-১৯) এর বিস্তাররোধে সারাদেশে চলছে অঘোষিত লকডাউন। লোক সমাগম না থাকায় অনেক খেটে খাওয়া মানুষ হয়ে পড়েছেন বেকার। অনেকের ঘরেই দেখা দিয়েছে খাদ‌্য সংকট। এমন পরিস্থিতিতে বিপন্ন অসহায় আত্মসমর্পণকৃত দস্যু,জেলে ও বেদে  পরিবার গুলোর পাশে দাঁড়িয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব ৮)। কয়রায়  আত্মসমর্পনকৃত দস্যু বর্তমানে খেটে খাওয়া দিনমজুর করোনায়  অসহায় হয়ে পড়ায় তাদের  হাতে খাদ্যসামগ্রী তুলে দিয়েছেন র‌্যাবের ৮ এর সদস্যরা।র‌্যাব ৮.
 সদস্যরা খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলায় সুন্দরবনের আত্মসমর্পনকৃত ২৮৪ (দুইশত চুরাশি) জন জলদস্যু পরিবারকে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সামগ্রী এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধী উপকরণ বিতরণ করার অংশ হিসাবে  শুক্রবার (৩ এপ্রিল ) বিকেল ৫ টায়  কয়রা উপজেলা পরিষদের সামনে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে  করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আত্মসমর্পণকৃত দস্যু ও জেলেদের মধ্যে এসব খাদ্য সামগ্রী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিতরন করেন  বিতরণ করেন।এসময় র‍্যাব-৮,এর এএসপি  ইফতেখার সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে  বলেন, সরকারের আহ্বানে সারা দিয়ে সুন্দরবনের দস্যুরা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য আত্মসমর্পণ করে। স্বাভাবিক জীবন-যাপনের জন্য র‌্যাবের মাধ্যমে সরকার তাদেরকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছে। দেশের এই করোনা। পরিস্থিতি তাদের যাতে খাবারের কষ্ট না হয় সে জন্য আমরা চাল, ডাল, তেল, সাবানসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রী বিতরণ করেছি। এ সহায়তা অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।র‍্যাব-৮ এর এএসপি মুকুর চাকমা বলেন, করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনামূলক সতেচনতা মুলক লিফলেট বিতরণ করা হচ্ছে সকল জেলায় ।  এছাড়াও র‍্যাব-৮ এর অধীনে সকল জেলায় নিয়মিত রোবাস্ট পেট্রোলিং এর মাধ্যমে
জনগণকে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে সচেতন করার লক্ষ্যে টহল বিদ্যমান রয়েছে ভবিষ্যতেও র‍্যাব-৮ এর এ ধরনের জনকল্যানমূলক কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।এ সময় আত্মসমর্পণ কারী হারুন জানায়, কালো পোশাকের মানুষগুলানরে আমরা ভয় পাইতাম। সেই মানুষগুলাই এই দুর্দিনে আমগোর (আমাদের) পাশে এসে দাঁড়াইছে ।আমরা তাদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।এছাড়া র‌্যাবের এমন মানবিক কার্যক্রমের প্রশংসা করছেন খেটে খাওয়া- দিনমজুর ও অসহায় মানুষ।