এবার একসঙ্গে প্রসেনজিৎ-জয়া

0
17

খুলনাটাইমস বিনোদন: বৃদ্ধ বাবা আর প্রবাসী ছেলের গল্প নিয়ে কলকাতার নির্মাতা অতনু ঘোষ তৈরি করেন ‘ময়ূরাক্ষী’। বাবা আর প্রবাসী ছেলের চরিত্রে ছিলেন সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও প্রসেনজিৎ।
ছবিটি ২০১৭ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে। এ ছাড়া সেরা ছবি সমালোচক, সেরা অভিনেতা সমালোচক (সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়), সেরা অভিনেতা জনপ্রিয় (প্রসেনজিৎ) এবং সেরা আবহসংগীত (দেবজ্যোতি মিশ্র) বিভাগে ফিল্মফেয়ার (বাংলা) পুরস্কার পেয়েছে ‘ময়ূরাক্ষী’। চলতি বছরই এই পরিচালক কাজ করেন ‘বিনিসুতোয়’ চলচ্চিত্রে। যেখানে প্রথমবারের মতো অভিনয় করেছেন বাংলাদেশের মেয়ে জয়া। ছবিটি এখনও মুক্তি পায়নি। তাই পুরস্কারের হিসাব কষাটা এখনও সম্ভব নয়। আর এ ছবিতে কাজ করতে গিয়েই পরিচালক ঠিক করে ফেলেন পরের গল্পেও জয়াকে চাই। অতনু ঘোষের ভাষ্যেÑ‘রবিবার’ নির্মাণ করতে যাচ্ছি। এই ইচ্ছাটা আমার অনেক দিনের ছিল। বিশেষ করে জয়া আহসানকে নিয়ে যখন ‘বিনিসুতোয়’ ছবিটির শুটিং করছিলাম তখন এই ইচ্ছাটা আরও মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে।হ্যাঁ, ‘রবিবার’ ছবিতে কাজ করছেন জয়া। সঙ্গে আছেন কলকাতার বাঘা অভিনেতা প্রসেনজিৎ। যার ফলে ট্রিলজির পরবর্তী এ ছবিতে অতনুর সঙ্গে দ্বিতীয়বারের মতো কাজ করছেন জয়া ও প্রসেনজিৎ দুজনই। মঙ্গলবার কলকাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মিতব্য ছবিটির পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে। এ আয়োজনে উপস্থিত ছিলন প্রসেনজিৎ, জয়া আহসান ও অতনু ঘোষ। সেখানেই ছবিটি নিয়ে নানা ভাবনার কথা তুলে ধরেন তারা। জয় গোস্বামীর ‘ঈশ্বর আর প্রেমিকের সংলাপ’ থেকে দু’টি লাইন, ‘বলো কী বলব, আদালত, কিছু বলবে কি এরপরও? যাও, আজীবন অশান্তি ভোগ করো!’ ব্যবহার করা হয়েছে প্রথম পোস্টারে। অনুষ্ঠানে অতনু জয়া প্রসঙ্গে বলেন, ‘জয়া কাঁটাতার পেরিয়ে এপার বাংলায় (পশ্চিমবঙ্গ) অসাধারণ সব কাজ করছেন। তার সঙ্গে কাজ করা সত্যিই আনন্দের। আমি মনে করি প্রসেনজিৎ-জয়া জুটি দুই বাংলাতেই গ্রহণযোগ্য হবে। জয়া বলেন, ‘পরিচালকের এমন প্রশংসা পাওয়া সৌভাগ্যের বিষয়। খুবই ভালো লাগছে অতনু ঘোষ আমার ওপর আস্থা রেখেছেন ভেবে।’এদিকে চলতি বছরের শুরুতে ‘বিনিসুতোয়’-এ জয়া কাজ করেছেন ঋত্বিক চক্রবর্তীর বিপরীতে। এরপর জয়া শুটিং করছেন কলকাতার ‘ভ‚তপরী’তে। সুরিন্দর ফিল্মস ও কোয়েল মল্লিক নিবেদিত এই ছবিটির নাম ভ‚মিকায় থাকছেন জয়া আহসান।


একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here