আমির, রিয়াজ দলে না থাকায় ক্ষুব্ধ ইনজামাম

0
50

খুলনাটাইমস স্পোর্টস : নিজ মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে আসন্ন টি-২০ সিরিজের জন্য ঘোষিত পাকিস্তান দলের সমালোচনা করেছে দেশটির সাবেক অধিনায়ক ও নির্বাচক ইনজামাম উল হক। বিশ্বকাপের পর প্রধান নির্বাচক ও প্রধান কোচের দায়িত্ব পাওয়া সাবেক অধিনায়ক মিসবাহর উপড় চটেছেন ইনজামাম। তার মতে, বাংলাদেশ সিরিজে দুই পেসার ওয়াহব রিয়াজ ও মোহাম্মদ আমিরকে দলে রাখা উচিত ছিলো। অনেক জল্পনা-কল্পনার পর অবশেষে পাকিস্তান সফরে যেতে রাজি হয় বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। তবে সেটা রাজি হয় কিছু শর্তে। তিন দফায় পাকিস্তান সফর করবে বাংলাদেশ। এই তিন দফায় তিনটি টি-২০, দু’টি টেস্ট ও একটি ওয়ানডে খেলবে বাংলাদেশ। টি-২০ সিরিজ দিয়ে শুরু হচ্ছে বাংলাদেশ দলের পাকিস্তান সফর। সফর নিশ্চিত হওয়ায়, গেল ১৬ জানুুয়ারি ১৫ সদস্যের টি-২০ দল ঘোষণা করে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। এক কথায় বলতে গেলে, পুরো দলটিই সাজিয়েছেন মিসবাহ। কারণ বর্তমানে পাকিস্তান ক্রিকেট দলের প্রধান নির্বাচক ও প্রধান কোচের দায়িত্বে আছেন মিসবাহ। কিন্তু সাজানো দলটি মোটেও পছন্দ হয়নি সাবেক প্রধান অধিনায় ও নির্বাচক ইনজামামের। তাই টি-২০ দল নিয়ে সমালোচনায় মুখর ইনজামাম। তিনি বলেন, ‘কি পরিকল্পনায় এমন দল করা হয়েছে, আমি ঠিক বুঝছি না। সিনিয়র-জুনিয়রদের সম্বনয়ে দল নির্বাচন করা উচিত ছিলো। কিন্তু এই দলে সেটি দেখা যাচ্ছে না। বিশ্বকাপকে সামনে রেখে এখন থেকেই অভিজ্ঞদের গুরুত্ব বেশি দেয়া উচিত ছিলো। তারা জুনিয়রদের সতায়তা করতে পারতো। কিন্তু সেই সুযোগ আর থাকছে না।’ দলে আমির ও ওয়াহাব না থাকায় অবাক হয়েছেন ইনজামাম, ‘আমির ও ওয়াহাব খুবই অভিজ্ঞ বোলার। তাদের বিশ্বকাপ খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এছাড়া বর্তমানে দারুন ছন্দে রয়েছে তারা। বিপিএল ও অন্যান্য টুর্নামেন্টে ভালো পারফর্ম করেছে। তাদের দলে রাখা উচিত ছিলো।’ তবে মোহাম্মদ হাফিজ ও শোয়েব মালিককে দলে রাখায় খুশী ইনজামাম, ‘হাফিজ ও মালিককে দলে রাখাটা টিক আছে। তারা অনেক বেশি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। তাদের সাথে আমির-ওয়াহাব থাকলে আরও ভালো হতো। বাংলাদেশের বিপক্ষে বর্তমান ফর্ম অব্যাহত রাখবেন হাফিজ ও মালিক। পাকিস্তানের সাফল্যে অবদান রাখবেন তারা।’ আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ শুরু করবে বাংলাদেশ ও পাকিস্তান। পরের দু’টি ম্যাচ হবে ২৫ ও ২৭ জানুয়ারি। তিনটি ম্যাচই হবে লাহোরে। টি-২০ সিরিজ শেষে দেশে ফিরে আসবে মাহমুদুল্লাহ’র দল। এরপর দ্বিতীয় ধাপে পাকিস্তান সফরে ১টি টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। রাওয়ালপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট হবে ৭ থেকে ১১ ফেব্রুয়ারি। ঐ টেস্ট খেলে আবারো দেশের ফিরে আসবে বাংলাদেশ। তৃতীয় ও শেষ ধাপে আাগমী এপ্রিলে আবারো পাকিস্তান সফরে যাবে বাংলাদেশ। ঐ সফরে ৩ এপ্রিল একমাত্র ওয়ানডে খেলবে টাইগাররা। ওয়ানডে হবে করাচিতে। ওয়ানডের পর ৫ এপ্রিল থেকে করাচিতে সফরের দ্বিতীয় ও শেষ টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ।