আমার প্রতি প্রতিহিংসামুলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে : ডা: বাহারুল আলম

0
123

খবর বিজ্ঞপ্তি
খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতির ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে আমার প্রতি এই প্রতিহিংসামুলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কারন উল্লেখিত ফেসবুক ষ্ট্যাটাস্ এ আমি আমার প্রানপ্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ বা বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ খুলনা জেলা শাখার বিরুদ্ধে কোন কথা বলিনি। সরকার প্রধান প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে কোন কথা বলার প্রশ্নই ওঠেনা। বরং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রতিবেশী রাষ্ট্রের বৈষম্য মুলক আচারনের কথা বলা হয়েছে। দেশের পক্ষে কথা বলা কখনই দলের বিরুদ্ধে কথা বলা নয়।
গদ্য সাময়িক বহিষ্কৃত জেলা আওয়ামী লীগ নেতা এক খবর বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা উল্লেখ করেন। ওই বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও বলেন, আমাকে বহিষ্কার করার পূর্বে পত্রিকায় উল্লেখিত বিষয়ে আমাকে সংগঠন এর পক্ষ থেকে পত্র মারফত জানানো হয়নি। আমাকে মতামত প্রকাশের সুযোগ দেওয়া হয়নি এমনকি এ বিষয়ে দলীয় কোন তদন্তই হয়নি। যে সভায় বহিষ্কার এর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে তা পূর্ব নির্ধারিত ছিল না এবং কোন এজেন্ডা ও ছিল না, থাকলে আমি সভায় উপস্থিত থেকে যে বিষয়ে আমাকে অভিযুক্ত করা হয়েছে সে বিষয়ে আমার বক্তব্য প্রদান করতে পারতাম ।
আমার ব্যক্তিগত অভিমত সভাপতি উদ্দেশ্য প্রনোদিত হয়ে আমাকে আক্রমনের মত হিংস্র সিদ্ধান্তের আশ্রয় নিয়েছে যা অনভিপ্রেত। আসন্ন খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সম্মেলন, উক্ত সম্মেলনকে সামনে রেখে সভাপতি তার একছত্র আধিপত্য নিশ্চিত করার মানসে বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের মঙ্গল কামনায় আমার ভাবনাকে বিক্রিত ভাবে সভায় উত্থাপন করে আমার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করে আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে লিপ্ত হয়েছে।
আমি দলীয় গঠনতন্ত্র পরিপন্থি অসাংগঠনিক ও স্বেচ্ছাচারী এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি প্রত্যাশা করছি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রচারিত আমার স্ট্যাটাস্টি পড়ে বস্তুুনিষ্ঠভাবে এর মর্মার্থ বুঝে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ খুলনা জেলা শাখার সভাপতিকে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে আমাকে উল্লেখিত অভিযোগ থেকে অব্যাহতি প্রদানের উদ্যোগ গ্রহন করবেন।
আমি বিগত ২ যুগেরও অধিক সময় ধরে বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ এর একজন কর্মী হিসাবে বঙ্গবন্ধু’র রাজনৈতিক দর্শন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন করে একই চেতনায় উচ্ছাসিত অনেকগুলি সংগঠন তিলে তিলে গড়ে তুলেছি এবং পরিচালনা করে আসছি- স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, ৭১’ এর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি, গণহত্যা আর্কাইভ ও জাদুঘর, বঙ্গবন্ধু পরিষদ ও পেশাজীবী সমন্বয় পরিষদ। এই সকল সংগঠনের মাধ্যমে আমি প্রান্তিক জনগোষ্টি থেকে শুরু করে দলীয়কর্মী পেশাজীবী বুদ্ধিজীবী, শিক্ষার্থী সহ হাজার হাজার মানুষের মধ্যে বঙ্গবন্ধু’র রাজনৈতিক দর্শন ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা সঞ্চলিত করতে পেরেছি।
সুতরাং বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ খুলনা জেলা শাখার সভাপতি কর্তৃক গৃহিত এই ধরনের অসাংগঠনিক ও অরাজনৈতিক সিন্ধান্ত শুধুমাত্র আমার বিরুদ্ধেই নয়, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, প্রধানমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রের অংশবলে প্রতিয়মান হয়।


একটি উত্তর ত্যাগ

Please enter your comment!
Please enter your name here